সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বাণী কাঞ্চণ

০১. আস্থা তৈরির ক্ষেত্রে মানুষের কৃত-কর্মই প্রথম সোপান।
০২. অ-নমনীয়তা কখনো ভালো ফল দেয় না। এটা সবসময় নেতিবাচকতা প্রকাশ করে। কাজেই, অন্যের মত-পথ, চিন্তা-ভাবনাকে গ্রহণ না করতে পারলেও; শ্রদ্ধা করাই শ্রেয়।
০৩. এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবে না। আসলে, কোনটা করা যাবে, সেটা তো কেউ বলে না। নিষেধাজ্ঞার এই মূর্খ বেড়াজাল ভাঙতে হবে।
০৪. শুধু গোষ্ঠী স্বার্থ উদ্ধারে নয়, সমগ্র মানবজাতি থেকে শুরু করে পুরো পৃথিবীর জন্য কাজ করুন।
০৫. আজকে আপনি যেটাকে অপসংস্কৃতি বা অ-ব্যবহারযোগ্য (খারাপ কিছু) মনে করে ত্যাগ করছেন। এখান থেকে ১০ বছর পর আপনার পরবর্তী প্রজন্ম সেটাকেই অবলীলায় আচরণীয় করে তুলছে। কাজেই, পরিবর্তনকে সাদরে গ্রহন করা উচিত। এর জন্য, আন্তর্জাতিক পাঠক, দর্শক, শ্রোতা হয়ে উঠুন। দেখবেন, খুব সহজে পরিবর্তন গ্রহনীয় হয়ে উঠছে নিজের কাছে।  তবে আমাদের সমস্যা হচ্ছে, আমরা সব সময় নতুনকে খারাপ মনে করি এবং এর খারাপ বিষয়গুলো তুলে ধরি। সে কারনে, পরিবর্তন বা নতুনত্বের খারাপগুলো বেশি বেশি চর্চা করছে নতুন প্রজন্ম। এই নেতিবাচক বৃত্ত ভাঙতে হবে। তার জন্য, পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহনের মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।
০৬. সকালবেলা উঠে যখন দেখি গ্রামের রাস্তা দিয়ে ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যায় তখন দৃশ্যটা খুবই ভালো লাগে আমার। কারন, একটা সময় ছিলো যখন গ্রামের মানুষ পড়ালেখার চেয়ে বাড়ির কাজকর্মকে গুরুত্ব দিতো বেশি। তবে, পড়ালেখাকে এখন বেশির ভাগ বাবা-মা উন্নত জীবিকার মাধ্যম মনে করে। আসলে, পড়ালেখা তো মানুষের মৌলিক অধিকার। এটা পূরণ করা প্রত্যেক পিতা-মাতার দায়িত্ব-কর্তব্য।
০৭. আমি মানুষ। মনুষ্যত্ববোধই আমার ধর্ম। এর বাইরে আর কোন পরিচয় নেই। কারন, মানুষের সাথে সম্পর্কিত প্রত্যেকটি বিষয় নির্দিষ্ট সময়ের পর উপযোগিতা হারালেও; মানুষ মানুষই রয়ে যায়।
০৮. প্রত্যেকটা মানুষ বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে জন্মগ্রহন করে। কিন্তু, সঠিক পরিচর্যার অভাবে নষ্ট হয়ে যায়। আপনার অনেক প্রতিভা থাকতে পারে। কিন্তু, বিকশিত হওয়ার পথ না পেলে, ঐ মেধা মূল্যহীন।
০৯. নেতিবাচক কথা সব সময় পিছুটান মারে। কাজেই, কেউ যদি আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক কথা বলে তাহলে আপনি অনুভূতিহীন, ভাবলেশহীন বৃক্ষে পরিনত হয়ে যান। কারন, অযথা কেউ গাছে দঁড়ি বেঁধে টানাটানি করে না।
১০. চাপ নিয়ে কাজ করলে সে কাজ কখনো ভালো হয় না। চাপে থাকলে সৃজনশীলতাও লোপ পায়।
১১. আবেগ প্রকাশ করুন সহনীয় মাত্রার নিয়ন্ত্রিত গ্রহনযোগ্য যৌক্তিক আবেগ। তবে, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে এটা শিথিলযোগ্য।
১২. "সবার উপরে মানুষ সত্য, তার উপরে নাই।" এ কথাটা সবাই পড়ে। কিন্তু, বোঝে কয়জন বা কাজে পরিনত করতে পারে কয়জন!
১৩. আবেগ দিয়ে জীবন চলে না। গতিশীল জীবন চলে বাস্তবতা দিয়ে। আবেগ ক্ষনস্থায়ী, বাস্তবতা চিরস্থায়ী। এ কারনে, বাস্তবতার রেশ কাটে না। এই বাস্তবতার অন্যতম একটি উপাদান টাকা।
১৪. মানুষ তার চিন্তা-ভাবনা এবং চেতনা দ্বারা পরিচালিত হয়। আর এই চিন্তা-ভাবনা এবং চেতনার জগতে প্রভাব ফেলতে সক্ষম পরিবার এবং পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থান, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল, শিক্ষা প্রভৃতি।
১৫. আপনার সন্তানকে এমন শিক্ষা দিন; যেটার মাধ্যমে সে সুন্দর জীবন-জীবিকা গড়তে পারে।