সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বাণী কাঞ্চণ

০১. আপনি যদি নিজের অবস্থান থেকে সৎ থাকেন; পৃথিবীর কোন শক্তি নাই আপনাকে বেঁধে রাখার।
০২. অ-শিক্ষার চেয়ে, মূর্খতা এবং কু-শিক্ষা ভয়ঙ্কর। শুধু ভয়ঙ্কর নয়, মহা ভয়ঙ্কর।
০৩. নিজের ভুল বা নিজের দূর্বলতা মেনে নিয়ে উন্নতির চেষ্টা করা উচিত। সবচেয়ে বড় কথা, নিজের যা নেই তা দেখাতে গেলে বেশিরভাগ সময় বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। আর মানুষ এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন। ভণ্ডামী, ভূখামী বুঝতে তাদের সময় লাগে না।
০৪. স্বপ্নের পথে ছুটে চলেছি নিরন্তর। শুধুই স্বপ্নবাজী। স্বপ্ন না দেখলে, স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে কিভাবে? তাই, হোক বা না হোক স্বপ্ন দেখি সব সময়।
০৫. উৎসাহিত করতে না পারলে, দরকার নাই। তবে, নিরুৎসাহিত করবেন না। কারন, এটার দ্বারা একটি বা অজস্র স্বপ্নের মৃত্যু ঘটতে পারে।
০৬. মানুষ হত্যা করে বা গনহত্যা চালিয়ে কেউ যদি প্রেক্ষাপটের কথা বলে। নিদেনপক্ষে, সে বড়-মাপের চরমপন্থী উগ্র সন্ত্রাসী। আর যারা এটকে সমর্থন করে; তারাও একই গর্ভস্থ। কারন, মানুষ হত্যা (সেটা যেভাবেই হোক) নিকৃষ্ট, ঘৃন্য, জঘণ্য, বিকৃত-মস্তিষ্কপ্রসূত অপরাধ। এটাকে প্রেক্ষাপটের বিবেচনায় নিয়ে কথা বললে, সেটা চরম মাত্রার অপরাধমূলক ভুল।
০৭. History মূলত Discover করে। Inventional কিছু না।
০৮. পশু প্রাণীর একটি বিশেষ আচরণ হচ্ছে, সে যদি দেখে তার অন্যায় অবস্থানকে কেউ ভেঙ্গে দিতে চেষ্টা করছে তাহলে সে তেড়ে মারতে/আঘাত করতে আসে! পশুর অনেক শক্তি। কিন্তু, পশু-শক্তির মধ্যে বোধের অভাব থাকায় তা নিজ কল্যানে ব্যয়িত হতে পারে না।
০৯. আলোচনা, পারস্পরিক বোঝাপড়া, সহিষ্ণুতা, ইতিবাচক বিনিময়ের মাধ্যমে  শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই কল্যানময় করে তোলে জীবনকে।
১০. অবিবেচনা-প্রসূত কথাবার্তা গাছের মরা পাতার মত। গাছে একটু আঘাত করলেই পড়ে যায়। ধোপে টেকে না।