সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সমালোচনা বা বিরোধীতা নাকি হেয় করা

আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় দেখা যায় সমালোচনার নামে বিরোধীতা করতে। আবার অনেক সময় সমালোচনার নামে 'হেয়' করা হয় মানুষকে। সমালোচনা হতে হবে গঠনমূলক এবং যৌক্তিক। সমালোচনার মানে কখনো কাউকে আঘাত করা হতে পারে না।

আবার দেখা যায় যে, যৌক্তিক সমালোচনাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতে। এটা তো মূর্খতার সামিল। আপনি যৌক্তিক সমালোচনাকে গ্রহন করতে না পারলেও, সম্মান তো করতে পারেন! এটাতে পাপ হয় না!

অযাচিত, অপ্রাসঙ্গিক কথা-বার্তা বলার চেয়ে, কথা না বলাই শ্রেয়। কারন, এটার দ্বারা নিজের মূর্খতা প্রকাশ ছাড়া আর কিছুই হয় না।

একটা বিষয় সম্পর্কে ভালো করে না জেনে কথা বলাটাও মূর্খতার লক্ষণ। তবে, আপনি অজানা বিষয়, জানার জন্য কারো কাছ থেকে শুনতে পারেন। বলতে যাওয়াটা বোকামী।

সমালোচনার নামে কাউকে আঘাত করাটা অন্যায়। আবার যৌক্তিক সমালোচনাকে হেয় করা বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করাটাও অন্যায়।

আবার যারা মনে করে সমালোচনা করা ঠিক না; তাদের বুঝতে হবে যে, সমালোচনা মানুষকে শুদ্ধতার স্থান তৈরি করে দেয়। পৃথিবী যতদিন থাকবে, মানব-জাতির অস্তিত্ব যতদিন থাকবে ততদিন সমালোচনা হবে। সমালোচনা মানুষের ভুল ধরিয়ে দেয়। ভুলকে শোধরানোর সুযোগ করে দেয়। কেউ সেটা ধরতে পারে, কেউ পারে না।

আর যারা সমালোচনার বিরোধীতা করে। আমি দেখেছি, তারাই বেশি সমালোচনা করে। এমনকি সমালোচনারও তারা সমালোচনা করে। স্ব-বিরোধী অবস্থান।

আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় সমালোচনার মানসে শুধু বিরোধীতা করা হয়। এটাকে ভুল ছাড়া আর কি বলা যায়! সমালোচনা আর বিরোধীতা দুটো ভিন্নার্থক। এটুকু বোঝার জন্য মহা-জ্ঞানী হতে হয় না। সাধারন বোধ-শক্তি দিয়ে এটা বোঝা যায়।

আপনি যৌক্তিক, গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেন। সমালোচনার নামে বিরোধীতা বা হেয় করতে পারেন না। সেটা হবে ভুল!