০১. আপনি যখন কারো মতের বিরোধীতা করবেন তখন অবশ্যই তার বিপরীতে যৌক্তিক একটি মত তুলে ধরতে হবে। তানাহলে, আপনার মূর্খতা প্রকাশ পাবে।
০২. আপনি যদি বুঝতে না পারেন, তাহলে এটা আপনার সমস্যা। আবার আপনি যদি বুঝাতে না পারেন, তাহলে এটাও আপনার সমস্যা।
০৩. প্রতিভাবান ব্যক্তিমাত্রই পাগলামির টান থেকে মুক্ত নয়।
০৪. কারো সাথে সম্পর্ক খারাপ করে লাভ হয় না। ক্ষতিই হয়। মিলেমিশে থাকার মধ্যেই উভয়ের উন্নতি নিহিত।
০৫. পৃথিবীর প্রত্যেকটা জিনিসই মানুষের জন্য জ্ঞানের এক মহা-আধার। বিচক্ষন ব্যক্তিমাত্র বোঝেন।
০৬. সময়ের তাগিদ থাকে। এটা বুঝতে না পারলে, আপনি দাড়িয়ে থেকেও পিছিয়ে পড়বেন।
০৭. অনেক ভেবে-চিন্তে প্রেমের এই সংজ্ঞাটা দাড় করিয়েছি। সেটা হচ্ছে, "জৈবিক তাড়নাজাত কারনে দুটি দেহের একত্রিত হওয়ার মনো-বাসনাই প্রেম।"
০৮. চিন্তার সাথে চেতনার মিল যদি না থাকে তাহলে ঐ চিন্তা গাছের শুকনো পাতার মত।
০৯. যাদের নিজেদের সম্পর্কে কোন ধারণা নেই। তারা নিজেদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারে না।
১০. পুরানো বা হারানো জিনিসগুলো আর ফিরে পাওয়া যায় না। যদিও যায়, সেটা নতুনরুপে ফিরে আসে। আগের মত হয় না। গতিশীল বিশ্বে এটাই বাস্তবতা।
১১. আপনি যদি একটুতেই হতাশ হয়ে পড়েন। তাহলে, আপনার চেয়ে যারা খারাপ অবস্থায় রয়েছে তাদেরকে দেখুন। আর নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করুন।
১২. যাদের সামনে মৃত্যু এবং সেটা একটু পরেই। সে জানে যে, একটু পরেই তাকে মরতে হবে। এমন পরিস্থিতির অনুভূতিটা আসলেই মহা-ভয়ঙ্কর।
১৩. মাঁকাল ফলও দেখতে সুন্দর! কিন্তু, তার ভেতরটা বিশ্রী!
১৪. বিসিএস দিয়ে কি আসলেই মেধার যাচাই করা যায়! মেধার সাথে জড়িত সৃজনশীলতা, নতুন নতুন আবিষ্কার, চিন্তা-চেতনায় নতুনত্ব, মননের সুস্থ্য-স্বাভাবিক বিকাশ ইত্যাদি।
১৫. আমরা সবাই ভাবি, হয়তোবা আমি সবচাইতে বেশি কষ্টে আছি। কিন্তু, আমাদের পাশের মানুষ যে আমাদের থেকে বেশি কষ্টে থাকতে পারে; এটা আমরা ভুলে যায়।
১৬. আপনি মনে করছেন, আপনি আপনার পাশের মানুষ দ্বারা বিরক্ত। কিন্তু, একই কারনে পাশের মানুষটি আপনার উপর বিরক্ত হতে পারেন। এটা কি কখনো ভেবে দেখেছেন।
১৭. সমাজে কিছু মানুষ কীট-পতঙ্গ, আগাছার মত রয়েছে। যারা সমাজের মঙ্গল তো দূরে থাক; সমাজকে প্রতিনিয়ত কলুষিত, দূষিত করে চলেছে।
১৮. বদ্ধমূল চিন্তা নিয়ে পড়ে থাকলে; আপনি কখনো খোলা-মেলা চিন্তা করতে পারবেন না। এ দুটো পরস্পর বিরোধী অবস্থানে রয়েছে। বদ্ধমূল চিন্তা মানুষের সুস্থ্য-স্বাভাবিক চিন্তা করার শক্তিকে ধ্বংস করে দেয়।
১৯. একজন মানুষ কখনো তার চিন্তার উর্ধ্বে যেতে পারে না। এ জন্য, চিন্তার জগতকে সুস্থ্য-স্বাভাবিক পথে বিকশিত হতে দিতে হবে। উন্মুক্ত চিন্তা করার শক্তি মানুষের চিন্তা করার সুস্থ্য-স্বাভাবিকতা বজায় রাখে।
২০. আপনি চাইলে সবকিছু একবারে করতে পারবেন না। ধাপে ধাপে আপনাকে সবকিছু করতে হবে। যেমন, আপনি পাঁচতলার উপরে একলাফে উঠতে পারবেন না। সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। ঠিক তেমনি।