সামনের দিনগুলোতে মানুষের নিরাপত্তা ভাবনায়ও মহা-পরিবর্তন আসবে, অলরেডি। অবস্থানগত নিরাপত্তার চেয়ে ভার্চুয়াল নিরাপত্তা নিয়ে মানুষ বেশি চিন্তিত এবং উদ্বিগ্ন থাকবে, অলরেডি। যেটাকে বলা হয় 'সাইবার নিরাপত্তা'।
আমাদের দেশের প্রধান একটি সমস্যা হলো, আমরা সামনে পাইলেই খাই। খেলে যে আমরা মারাও যেতে পারি বা বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে, এটা মনে থাকে না। কাজেই, আমাদের সবার উচিত হবে ইন্টারনেট জগতকে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা। সবার সার্বিক নিরাপত্তা ও মঙ্গল কামনা করি!
আজকাল অহরহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কিছু নেতিবাচক চিন্তার মানুষ ফাদ পেতে মানুষকে হয়রানি করছে। শুধু সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নয়, পুরো ইন্টারনেট জগৎ জুড়ে এটার শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
পৃথিবী যতদিন আছে ততদিন ভালো-খারাপ দুটোই থাকবে। কম আর বেশি। আমরা চাইলেই খারাপকে উৎখাত করতে পারবো না। তবে, সর্বোচ্চ আমরা এটাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারি।
এখন মানুষের হাতের নাগালেই এই ভার্চুয়াল জগৎ। অবশ্য, বেশিরভাগ বাঙালির কাছে ‘ইন্টারনেট’ মানেই ‘ফেসবুক’। এটার বৃহত্তর ব্যবহার সম্পর্কে ওয়াকিবহাল কম। আমরা হরহামেশাই ভুল করে চলেছি এ জগতের সঠিক ব্যবহার না জেনেই। কাঁটা চামচ দিয়ে খেতে না জানলে ঐ চামচ দিয়ে হাত কাঁটার সম্ভনাকে উড়িয়ে দেয়া মস্তভুল।
আগে আমরা ইন্টারনেট জগতের সঠিক ব্যবহার জানি, তারপর ব্যবহার করি। সাইবার নিরাপত্তা, সাইবার এথিকস, সাইবার ল' এগুলো নিয়ে ভাববার সময় এসে গেছে। বসে বসে ফেসবুকে স্টাটাস আর মেসেঞ্জারে পট পট করে মেসেজ পাঠানোর আগে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবুন। সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে।
যুদ্ধের ময়দানে সবার আগে ডিফেন্স শক্ত রাখতে হয়। তানাহলে, জিতেও হিটলারকে শেষ মূহুর্তে হারতে হয়। যতই সে পোড়া মাটি নীতি গ্রহন করুক আর শত্রু সম্পদ ধ্বংস করুক। ঐ নীতিই তাকে পুড়িয়ে মেরেছিলো। এজন্য আগ-পিছ ভেবে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ব্যবহারিক ব্যাপারগুলো।
আর ইন্টারনেটের ভার্চুয়াল মখমলের কালো চাদরের সৌন্দর্যে মোহিত না হয়ে, কালো চাদরটাকে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। কালো কিন্তু সবসময় জগতের আলো হয় না। ব্লাক হোল অল টাইম ব্লাক।
সবার সুস্থ্য-সুন্দর-স্বাভাবিক জীবন কামনা করি। আজকে এ পর্যন্তই।