০১. মানুষ যখন ভুল করে তখন সে বুঝতে পারে না। তাই সে ভুল করে।
০২. মুক্ত বিহঙ্গ হয়ে যাও, কোন কষ্ট থাকবে না জীবনে। জীবন হবে জীবনের মত।
০৩. বর্ণ এবং ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদই পৃথিবীতে বিশৃংখলা সৃষ্টি, মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি, মানুষ হত্যা এবং গণহত্যার অন্যতম প্রধাণ কারণ।
০৪. মানুষ হিসেবে কেউ পরিপূর্ণ নয়। এজন্য, কাউকে আপনি এককভাবে ভালো বা খারাপ বলতে পারেন না। এ হিসাবে কেউ মহামানব নয়।
০৫. সর্বপ্রথম যে কাজটি মানব সন্তানের জন্য প্রয়োজন, সেটা হলো 'পরনির্ভরশীলতা কাঁটানো'। সেটা যেকোন ধরণের হতে পারে। সব ধরণের পরনির্ভরশীলতা। খাটি বাংলায় বলে , 'নিজের পায়ে দাড়ানো'।
০৬. সবাই যদি নিজের কাজটা ঠিকমত করত, ব্যর্থ সমালোচনা বাদ দিয়ে। তাহলে পৃথিবীটা আরো সুন্দর হতো। সমালোচনার দরকার আছে, তবে অকেজো সমালোচনা নয়। গঠনমূলক, সহনশীল।
০৭. অন্যকে নিয়ে কথা বলতে বলতে আমরা নিজেদেরকে নিয়ে ভাবতে ভুলে যায়।
০৮. যার ভেতরে মানুষ বাস করে; তার ভেতর নৈতিকবোধ, মূল্যবোধ কাজ করে।
০৯. জ্ঞানীরা কোন পক্ষের হয় না। তারা হয় নিরপেক্ষ। আর যারা পক্ষে যায়, তারা হতে পারে শিক্ষিত; কিন্তু, জ্ঞানী নয়।
১০. নিজ কর্মে কেউ হস্তক্ষেপ করলে, তা হয় ইন্টারফেয়ার। আর নিজে অন্যের কর্মে হস্তক্ষেপ করলে, তা হয় মঙ্গলচিন্তা। বড়ই আজব ব্যাপার!
১১. দানেও প্রাপ্তির প্রত্যাশা রয়েছে।
১২. পাশের মানুষগুলোও যে ঘাতক হতে পারে, এটা ভাবতেও ভয় লাগবে আপনার। তারপরও এটা বাস্তবে হয়ে থাকে।
১৩. দিনশেষে, প্রাপ্তির খাতা ভরে থাকলেও; মানুষ কিছু অ-প্রাপ্তির বেদনায় ভোগে। যা সুখানুভূতির অন্তরায়। এজন্য যারা প্রাপ্তির বেদনায় বেদনার্ত তারা ইহজীবনে সুখী নয়। যারা প্রাপ্তির সুখে খুশি না হয়ে সন্তুষ্ট হতে পারে, তারাই প্রকৃত সুখী মানুষ। কারণ, খুশি শব্দটার কার্যকারিতা ক্ষনস্থায়ী; আর সন্তুষ্টি দীর্ঘমেয়াদী সুখের উপাদান।
১৪. মানুষের জীবন তার আপন গতিতে এগিয়ে চলে, থামে না। থেমে থাকে তার চিন্তা-চেতনার জগৎ। যাদের চিন্তার জগৎ স্তিমিত হয়ে যায়, তাদের জীবনে সুস্থ্য-স্বাভাবিকতা বলতে কিছু নেই।
১৫. আপনি হয়তোবা ভাবছেন, এটাই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় ক্রান্তিকাল। কিন্তু, সেটা নাও হতে পারে। হতে পারে, আপনার জন্য এর চেয়ে বড়-কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। তাই বর্তমানে যা আছে, তাই নিয়ে সুখানুভব করতে শিখুন। সময় কিন্তু ফিরে আসে না।
১৬. সমালোচনা করতে হলে, যৌক্তিকভাবে করুন। বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিন।
১৭. অনেক সময় বেশি কথার তোড়ে আসল কথা ভেসে যায়, বিক্ষিপ্ত আলোচনায় সমস্যার সমাধান পাওয়া যায় না।
১৮. আপনার অনেক শুভাকাঙ্খী থাকতে পারে; যারা আপনার অগোচরেই আপনাকে অনুসরন, অনুকরন, ভালোবেসে যাবে। যা আপনি জানেনই না। তাই কারো সাথে এমন কোন আচরণ দেখানো উচিত নয়; যেটা আপনার জন্য বা আপনার শুভাকাঙ্খীদের জন্য খারাপ লাগার যায়গা তৈরি করে।
১৯. জীবনে অনেক বাঁক/মোড় থাকে যেগুলো বুঝে উঠাটা মুশকিল। এজন্য আপনা থেকে কিছু সেন্সর তৈরি করে নিতে হয়; যেগুলো গাইড লাইনের মত কাজ করবে; সমস্যাগুলো ধরে ধরে আপনাকে জানান দিবে এবং সমাধানের পথ বাতলে দিবে।
২০. সমস্যাটা যখন সমস্যা হয়ে দাড়ায়, তখন সমাধানের পথ বাতলে দেয়াটা বোকামী বৈ কিছু নয়। মানুষ যখন নিজেই সমস্যা হয়ে যায়, তখন তার সমাধান খুজে পাওয়াটাও সমস্যা হয়ে দাড়ায়।