০১. মানুষের জীবনে কিছু অস্বস্তীকর বাস্তবতা থাকে। যা মানুষ কখনো স্বীকার করে না। সামনে চলে আসলে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে যায় মানুষ।
০২. ধর্ম টিকে থাকবে, মূর্খ, অন্ধ, ভণ্ডদের মধ্যে। তবে, ভণ্ডরা ধর্মকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ফায়দা লুটবে। আর ধর্মান্ধরা সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি করবে। মূর্খরা কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয়ে পড়বে। আর নীতিবান-শিক্ষিত-সমাজ এসব ত্যাগ করে নাস্তিক বা ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীতে রুপান্তরিত হবে।
০৩. ভালো কাজ করার আগে, ভালো কথা বলার আগে, নিজেকে সর্বপ্রথম ভালো মানুষ হতে হবে।
০৪. আপনি আপনার মতের পক্ষে মানুষকে টানতে জোর-জবরদস্তি, গালাগালি, মারামারি, হেনস্থা করতে পারেন। আর আমি নিজের মত কেনো প্রকাশ করতে পারবো না?
০৫. আমি জীবিকাবাদী নয়, জীবনবাদী।
০৬. আপনার সন্তানকে এমন শিক্ষা দিন। যেটা জীবন এবং জীবিকা উভয় ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারে।
০৭. মানুষ পোষাক পরে, লজ্জা নিবারণের জন্য। আর ধর্ম পরে, নিজের ভণ্ডামী এবং অপরাধ, ঢাকার জন্য! খারাপ-চেতনা চরিতার্থ করার জন্য। এটাই বাস্তব যে, পৃথিবীতে দুই ধরণের লোক আছে, ক. ভালো মানুষ, খ. খারাপ মানুষ। এটা বোঝার জন্য ধর্ম কোন মাধ্যেম নয়। কারণ, সব ধর্মই নিজেদের শ্রেষ্ঠ বলে দাবী করে এবং অন্য ধর্মের লোকদের ঢালাওভাবে খারাপ বলে।
০৮. শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। আর চাকরী হলো জীবিকা। শিক্ষিত হোন বা না হোন জীবিকা থেমে থাকবে না। তবে, চাকরির দোহায় দিয়ে যদি উচ্চ শিক্ষা থেকে নিজেকে বঞ্চিত করেন। শিক্ষা ওখানেই থেমে গেলো। নিজের মৌলিক অধিকার পূরণে ব্যর্থ হলেন, নিজেকে বঞ্চিত করলেন। কারণ, অধিকার কেউ দেয় না, আদায় করে নিতে হয়। অন্যরা হয় তো সুযোগ করে দিতে পারে সর্বোচ্চ। ধারণ করার ক্ষমতা নিজেকেই তৈরি করে নিতে হবে। আর তার জন্য চাই সঠিক শিক্ষা।
০৯. আপনাকে আমি কিছু দেবো, সেটা নেয়ার মত ক্ষমতা তো আপনার থাকতে হবে। নাহলে, সে যায়গাটা আমাকে তৈরি করে নিতে হবে পূনরায়।
১০. প্রত্যেক ব্যক্তিই নিজের মত করে কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক। তবে অন্যকে নিয়ে কথা বলার সময় সমানুভূতি নিয়ে কথা বলতে হয়। না হলে সেটা গ্রহনযোগ্যতা হারায়।
১১. প্রত্যেকটা জিনিসের একটা নির্দিষ্ট উপযোগিতা থাকে। সময়ের তাগিদে, বিবর্তনের ফলে, পরিবর্তনের কবলে পড়ে ধর্ম-কর্ম, যাইহোক সবকিছু তার উপযোগিতা হারায়।
১২. বিশ্বাস নয়, আস্থা রাখতে শিখতে হবে। কারণ, আস্থাহীনতা দেখা দেয়, তবে বিশ্বাস ঘাতক হয়। না জেনে, না বুঝে হয় বিশ্বাস, আর দেখে-শুনে-জেনে-বুঝে তৈরি হয় আস্থা। আস্থা পরিবর্তনশীল, বিশ্বাস স্থীর। এজন্য আমরা বিজ্ঞানের উপর আস্থা রাখতে পারি, তবে ধর্মে বিশ্বাস নয়। কারণ, বিজ্ঞান চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। গবেষণা-প্রমাণ ছাড়া বিজ্ঞান হয় না। আর ধর্ম কাল্পনিক, অবাস্তবে বিশ্বাস ধরিয়ে দেয়। যেটার আসলে কোন ভিত্তি নেই। এ হিসাবে বিশ্বাস একটি ক্ষতিকারক ভাইরাস।
১৩. মানুষকে মানুষ ভাবতে শিখুন। অন্য কোন ট্যাগ দিয়ে নয়। কারণ, মানুষ মানুষই।
১৪. যেখানে মানবতা নেই। তা মানুষের জন্য অনুপোযোগী। অনুপোযোগী বিষয় টিকিয়ে রাখা বা সংরক্ষণ করা ভুল বা বোকামী।
১৫. পুরাতনপন্থী লোকেরা সবসময়ই নতুনকে সহজে গ্রহণ করতে পারে না। গাঁধার মত জল ঘোলা করে তারপর খায়। যতই আপনি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন না কেনো! নতুনত্বের খারাপটাই সে ধরে বসে থাকবে।