সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বাণী কাঞ্চণ

০১. না জেনে, না বুঝে বিশ্বাস করা! ঐ বিশ্বাসের কোন ভিত্তি নেই! এ ধরণের বিশ্বাস ভয়ংকর এবং ক্ষতিকারক!
০২. সমাজে একশ্রেণীর লোক ছিল, আছে, থাকবে। যারা মানুষকে মুখস্ত বিদ্যার মাধ্যমে মূর্খ বানিয়ে রাখতে সচেষ্ট। তারা মানুষকে চিন্তা করতে দিতে চায় না। প্রশ্ন করতে দিতে চায় না। প্রশ্ন করলে তারা ক্ষেপে যায়। এগুলো করার জন্য তারা ভন্ডামীর আশ্রয় নেয়। মানুষকে আনুগত্যশীল হতে বাধ্য করে। যা মানবতার চরম লঙ্ঘন। সকল জ্ঞানের উৎস হলো, প্রশ্ন এবং চিন্তাশক্তি।
০৩. একশ্রেণীর চোগোলখোর, চাটুকার লোক আছে যারা মানুষকে ইনিয়েবিনিয়ে খেতে চায়। একাজে এদের সব চেয়ে সহজলভ্য অস্ত্র হলো ধর্মের ন্যায় পবিত্র জিনিস।
০৪. দল করলে একপক্ষ আপনাকে রক্ষা করবে। আর নিরপেক্ষ থাকলে উভয় দিক থেকে আক্রমনের শিকার হবেন।
০৫. সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো মরে না, ফুরায় না। যদিও সেটা হয়, বিন্দু পরিমান। ভালোবাসায় বাঁধা-বিপত্তি, ঝড়-তুফান, ঝক্কি-ঝামেলা আসবে। তারপরও ভালোবাসা টিকে থাকবে, যদি সেটা সত্যিকারের ভালোবাসা হয়। সত্যিকারের ভালোবাসা লোহার মত, আগুনে পুড়ে উপযুক্ত রুপ পায়। আর মিথ্যা ভালোবাসা কাঠের মত, আগুনে পুড়ে ভষ্ম হয়ে যায়। সত্যিকারের ভালোবাসা নিঃশেষে অবিভাজ্য।
০৬. কিছু মানুষ আছে, যাদের পেট ভরা গল্প। কাজে অষ্টরম্ভা!
০৭. সবাইকে সহনশীল এবং সহিষ্ণু হওয়া উচিত এবং দরকার।
০৮. মুক্তমন নিয়ে চিন্তা করতে হবে। গোড়ামী, অন্ধবিশ্বাস, বদ্ধমূল ধারণা নিয়ে পড়ে থাকলে, শুধু নিজের না, নিজের দ্বারা অন্যেরও ক্ষতি হয়ে যায়।
০৯. মানুষকে ভালোবাসলে অধিকার খোঁজে। অযাচিত অধিকার খাঁটানোর চেষ্টা করে। এটা ভ্রান্ত-ধারণা যে, কেউ ভালোবাসলে তার সব আমার। সবারই ব্যক্তিগত অনেক ব্যাপার থাকে। যা কখনো অন্যের জন্য উপযুক্ত নয়।
১০. কে জ্যেষ্ঠ আর কে কনিষ্ঠ। যে পারে, সেই শ্রেষ্ঠ।
১১. কোন সুস্থ্য-স্বাভাবিক মানুষ, মানুষকে হত্যা করতে পারে না বা হত্যার নির্দেশ বা সমর্থন করতে পারে না। যদি কেউ অপরাধ করে থাকে, তবে দেশে আইন আছে, আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। তাই বলে, তাকে আইন-বিচার বহির্ভূতভাবে হত্যা করাটাই মহা-অন্যায়। আইন নিজের হাতে তুলে নেয়াটা কোন কালেই স্বীকৃত নয়। বরং, এটা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
১২. আসলে, গাঁধা পিটিয়ে ঘোড়া বাঁনানো যায় না।
১৩. একজন ভালো মানুষ বা মহা-মানব যদি খারাপ কাজ করে, তবে কাজটা কিন্তু খারাপ। সে হিসাবে লোকটাকে সামগ্রিকভাবে খারাপ না বলা গেলেও, সে একটা খারাপ কাজ করেছে, এটা স্বীকার করা উচিৎ। আর একটা কথা, মহা-মানব হোক আর যেই হোক, মানুষ মাত্রই ভুল করে।
১৪. কিছু মানুষকে কিছুদিনের জন্য বোকা বানানো গেলেও সব মানুষকে সব সময়ের জন্য বোকা বানানো যায় না।
১৫. (ক) যে জাতি তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অস্বীকার করে, সে জাতির পতন অনিবার্য। (খ) যে জাতি জ্ঞান ও জ্ঞানীর কদর করতে জানে না, সে জাতির উন্নয়ন অসম্ভব।