মানুষের অধিকারের কথা বলার কারণে যদি আমি নাস্তিক, মুরতাদ, ধর্ম-বিদ্বেষী বা অন্যান্য হয়ে অপরাধ করে থাকি। তাহলে, এ অপরাধ বারবার করতে চায়। যদিও জানি, কোন শ্রেণীর লোক আমাকে এগুলো বলে। স্বার্থবাদীরা এগুলো বলে বা করে। ধর্মের দোহায় দিয়ে মানুষকে অধীকারহীনকারী গোষ্ঠীর কাজ এগুলো। মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতেই তাদের সমস্যা। ভাইরে, নিজের সামান্য বস্তুসুখের জন্য অন্যকে কেনো কষ্ট দিবেন। তাদের উপর কেনো পুরাতন বর্বরতা চাপিয়ে দিবেন। দরকার কি ভাই! সবাই সবার মত করে সুখি হোক, সুন্দর হোক। আসুন বর্বরতা ছেড়ে নতুন পৃথিবী গড়ি।
আর একশ্রেণী আছে যারা ক্ষমতার শক্তির জোরে মানুষের অধিকার হরণ করে। যাদেরকে প্রাচীন ও বর্বর মধ্যযুগে বলা হত রাজা (শাসকগোষ্ঠী), জমিদার, মহাজন। এখন এদের নতুন এবং আধুনিক নাম হয়েছে মুনাফা ভোগী এবং রাজনৈতিক শ্রেণী। যদিও আমি ব্যবসায়ী বা রাজনীতিবিদদের অনেক শ্রদ্ধা করি। তবুও, যারা এর মধ্যে মানুষের অধিকারহীন করে নিজেরা বেঁচে থাকতে চায় আমি তাদের কথা বলছি। ভাইরে, আপনি যাদেরকে সাথে নিয়ে মানুষের অধিকার হরণ করছেন তারাও মানুষ, আবার যাদের অধিকার হরণ করছেন তারাও মানুষ। এসব বাদ দিয়ে আসুন সবাই মিলে সুখি, সুন্দর, বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলি। সবার সুখে হাসবো মোরা, কাঁদবো সবার দুঃখে।
অসাধু ব্যবসায়ী শ্রেণী টাকার জোরে মানুষের অধিকারের পক্ষে যারা কথা বলে তাদেরকে দমন করে বা চেষ্টা করে। প্রশাসন বা অন্যান্যদেরকে গোলাম করে ফেলে।
আর অসাধু রাজনীতিবিদেরা জনশক্তির বলে দমন করে। বলি কি, আপনি কাদের জোরে বা কাদের জন্য রাজনীতি করছেন। নিজের জন্য নাকি জনগণের জন্য। যদি নিজের জন্য হয় সেটা তো পেট নীতি হয়ে গেলো। রাজনীতি হলো না। রাজনীতি তো জনগণের জন্য করতে হয়। তাহলে, যারা মানুষের অধিকারের কথা বলে তাদেরকে দমন করার কি দরকার? অধিকারটুকু ফিরিয়ে দিলে তো আর কিছু করার দরকার হয় না। তাই বলি কি, ফিরিয়ে দাও অধিকার।