সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গণকথণ

আমরা যারা এখনো মনে করতে পারিনি যে আমরা সবাই মানুষ। তারা কিন্তু মানুষের কাতারে উঠতে পারিনি। তবে যারা মানবতাবাদী লোক তারা সাধারণত মানুষকে মানুষ ভাবতে শেখে। মানবতাবাদী লোক কখনো মানুষকে ঘৃনা করে না বা এরকমটা হওয়ার প্রশ্নই আসে না। কারণ, ঘৃনাবোধ মানবতা বোধোর সম্পূর্ন বিপরীত। শিক্ষা এবং জ্ঞানের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য বিদ্যমান। এ হিসেবে শিক্ষিত মানুষ মানবতা বাদী নাও হতে পারে। তবে প্রত্যেক জ্ঞানী মানুষই মানবতাবাদী হয়ে থাকেন। এখানে জ্ঞানী বলতে বোধসম্পন্ন লোককে বোঝানো হয়েছে। একজন বোধসম্পন্ন লোক বোধহীন লোক থেকে উত্তম একারণে যে, সে তার বোধ এবং বিবেক দ্বারা পরিচালিত হয়। আর বোধহীন লোক তার ইগো, অহম দ্বারা পরিচালিত হয়। একজন মানুষের সব চাইতে মূল্যবান জিনিস তার আত্মসম্মানবোধ। এই বোধ যার নাই সে নিজেকে কখনো ব্যক্তিত্বসম্পন্ন লোক বলে দাবী করতে পারে না। করলেও সে ভূল। আর সে যে ভুল করেছে এটা বোঝার মত বোধও তার নেই। মানুষ নিজেকে কখনো একেঅন্যের থেকে বড় হতে পারে না। মানুষ হিসেবে সবাই সমান। মানুষকে মানুষ হিসেবে ভাবতে হবে। টাকা-পয়সা ধন-দৌলত এধরণের কোন ট্যাগ দিয়ে মানুষকে বিচার করা মানবতাবোধের বিপরীত। বর্তমান বাংলাদেশে জ্ঞানী লোকের কদর কম। মানুষ টাকা-পয়সাওয়ালা মূর্খকে সম্মান করে। সে যদি অন্যায়ভাবেও টাকা উপার্জন করে থাকে। আর টাকা-পয়সাহীন জ্ঞানীদেরকে তারা গুনেই না। আজকে সমাজে যে অবক্ষয় দেখা দিয়েছে তার মূল কারণ জ্ঞানের কদর নাই। অনেক লোক আছে যারা শিক্ষা এবং জ্ঞানকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে নিজেকে মহাপন্ডিত ভাবা শুরু করে এধরণের গন্ডমূর্খ পন্ডিত দেখে আমার খুব সহানুভূতি জাগে তাদের জন্য। আর এক শ্রেণীর লোক আছে যারা দেশের খেয়ে পরে দেশেকে ঘৃণা করে। এরা আবার বড্ড বেশি বিদেশ প্রেমিক হয়। আমার মনে হয় এদের ভেতর থেকে দেশাত্মবোধ উঠে গেছে তানা হলে এরা কেন অন্য দেশের প্রতি এত আবেগতাড়িত হয়।