সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

শান্তির ধর্ম ইসলাম

ইসলামকে বলা হয় শান্তির ধর্ম এবং মুসলমানদেরকে বলা হয় শ্রেষ্ঠ জাতি। কিন্তু, বাস্তব সত্য হল, আজকে মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোতে এই ইসলাম নিয়ে দাঙ্গাহাঙ্গামা, মারামারি, খুনাখুনি হচ্ছে। নির্বিচারে সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। আসলেই কি তারা যে ব্যাখ্যা দাড় করিয়েছে ইসলামের, সেটা সঠিক? যদি সঠিক না হয় তাহলে কেন সমগ্র পৃথিবীর মুসলমানরা তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে না? আর যদি সঠিক হয়ে থাকে তাহলে ইসলাম ডুবতে সময় লাগবে না! কোন ধর্ম যদি মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন হয়। তাহলে সে ধর্ম কখনো কোন মানুষ হত্যাকে সমর্থন করতে পারে না। আর যদি মানবতাবাদী ধর্ম বলে গলা ফাটিয়ে মানুষ হত্যা করা হয় তাহলে এটা ভন্ডামী এবং স্বার্থবাদী, মূর্খতা ছাড়া আর কিছু নয়। সত্য এবং বাস্তব কথা বলা কি অন্যায়? যদি না হয় তাহলে তো বলতে বাঁধা নাই। কাজেই, আসুন শান্তির ধর্ম ইসলাম রক্ষায় সবাই মিলে বক-ধার্মিকদের বয়কট করি! অনেক ত্যানা প্যাঁচানো লোক আছে যারা কথার সঠিক অর্থ না বুঝে ভূখামী করে। এদের জন্য আমার খুবই দুঃখ হয়। আল্লা এদেরকে কেনো এতো মূর্খ বানিয়ে রাখলো! এদের জন্য আল্লার কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া আর কিছু করার থাকে না! এক লোককে আজ গ্রাম্য বলাই সে খুব খারাপ ব্যবহার করে আমার সাথে। তো আমি বুঝলাম মূর্খতা তাকে গ্রাস করেছে।  আরে বাবা, গ্রাম শব্দের ড্রিভেটিস হচ্ছে গ্রাম্য। গ্রামের লোককে গ্রাম্য বলা হয়। আমি যদি লোকটিকে ভিলেজারস বলতাম তাহলে সে বুঝুক বা না সে খুশিই হতো। কারণ, ইংরেজিতে গালি দিলে বঙালি যে খুশি হয় এটা অনেক আগেই প্রমানিত। চোরকে চোর বললে সে রাগ করে। পরে তাকে বললাম এটা খারাপ কিছু বলিনি আমি আপনাকে। তিনি বললেন, এটাতো গালাগালি। আমি বললাম, আমিও গ্রাম্য ছেলে। গ্রামেই আমার শিকড়। কদিন নাহয় শহরে গেছি পড়ালেখা করতে। তখন তিনি বললেন, আমরা মূর্খ মানুষ অত কি আর বুঝি। পরে একটু হাসলাম! নিজের মূর্খতা গর্ব নিয়ে স্বীকার করলো। আর গ্রাম্য বলায় ক্ষেপে গেলো। নিজেকে মহাজ্ঞানী ভাবার আগে নিজে নিজের জ্ঞানকে একটু ঝালিয়ে নেয়া উচিত। আর কোন কিছু অনুসরণ করার আগে সে বিষয়ে ভালো করে জেনে নেয়া উচিত। তানাহলে বিপথগামী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কাজেই, শান্তির ধর্ম ইসলাম রক্ষার জন্য খোলা মন নিয়ে কুরান-হাদিস পড়তে হবে। তাহলে ভুল করার সম্ভাবনা কম। এবং বিপথগামী হওয়ার সম্ভাবনাও কম।