সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রসঙ্গ নাস্তিকতা

আমি নাস্তিক কি না জানি না। তবে প্রচলিত কোন ধর্মে আমার আস্থা বা বিশ্বাস না থাকার কারনে অনেকে আমাকে নাস্তিক বলে। তবে আমি কখনো নিজেকে নাস্তিক বলে দাবি করি না। কারণ, নাস্তিক হওয়ার জন্য যে পরিমান জ্ঞানের প্রয়োজন তা আমার নাই।
আমি কখনো কারো অনুভূতিতে আঘাত করতে চায় না। তবুও কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করে তবে তাকে আগেই বলে রাখি ভাই প্রশ্ন করার কি দরকার আপনার যদি আমার মত-পথ ভালো না লাগে আমার থেকে দূরে থাকুন। সেটা আপনার আমার সবার ভালো হবে। অযথা হুদাই ক্যাঁচাল বাধিয়ে বিশৃংখলা সৃষ্টি নিষ্প্রয়োজন বোধ করি। আর যদি মানুষকে এবং মানুষের মত ও পথকে শ্রদ্ধা করার মত যোগ্যতা থেকে থাকে তাহলে যেকোন প্রশ্ন আপনি করতে পারেন। আমি আমার ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোন থেকে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।
আমি মানুষকে আমার মত বা পথে আকৃষ্ট করার জন্য নিকৃষ্ট কোন পন্থা অবলম্বন করি না। আমি কামনা করি সবাই সবার মত করে সুখি-সুন্দর হোক। কারণ, পৃথিবীতে কেউ কারো মত নয়, সবাই যার যার মত।
আর একজন মানুষ খারাপ বলে আমি কখনো তাকে ঘৃনা করি না। আমি তাকে নয়, তার কর্মকে ঘৃনা করি। কারণ, সে এ সমাজেরই একজন। সে যা কিছু অর্জন করেছে এ সমাজ থেকেই করেছে। কাজেই এ দায় আমার আপনার সবার। কেউ এ দায় এড়াতে পারে না। এজন্য অপরাধের শাস্তির ব্যাপারে আমি সংশোধনে বিশ্বাসী। শারীরিক বা মানসিক শাস্তিতে বিশ্বাস করি না। কারণ, উন্নত মানব সভ্যতায় এগুলো যায় না। এগুলো প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বর্বর সভ্যতারই অংশবিশেষ।
সর্বশেষ, বিভিন্ন বিষয়ে আমি আমার মত প্রকাশ করার অধিকার রাখি। এটা আমার দেশের সংবিধান আমাকে দিয়েছে। অনেকে বলেন, কোন ধর্মকে কটাক্ষ করে নয়। এখানে আমি বলব, যেটা মানুষের অমঙ্গল সাধন করে সেটা যেই হোক, যাই হোক আমার দায়িত্ব মানুষকে সচেতন করা, একজন মানুষ হিসেবে। ধর্মের খারাপ-ভালো সবই রয়েছে। এখন আপনি বলতে পারেন, ধর্মের আবার খারাপ কি আছে? এই প্রশ্নের জবাবে বলব, আপনি ধর্মান্ধতা ছেড়ে দিয়ে প্রকৃত খোলা মন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করুন। তাহলে নিজেই বুঝতে পারবেন।
এগুলো আমার একান্ত ব্যক্তিগত চিন্তা-ভাবনা ও মতামত। ভালো লাগা না লাগা স্বাভাবিক। তবে, কারো যদি ভালো না লাগে আমার কিছু করার নাই। আর যদি কথাগুলো কারো অনুভূতিকে আঘাত করে থাকে তাহলে বলব, ভাই একজন হিন্দু যদি একজন মুসলিমকে দেখে অনুভূতিতে আঘাত পায়! তাহলে তাকে ধার্মিক না বলে অনুভূতির রোগী বলাই শ্রেয়! তাকে মেন্টাল হসপিটালে পাঠানোই উত্তম! বলে বোধ করি!