সময়ের সাথে সব কিছু পরিবর্তিত হয়। এই পরিবর্তনের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে না জানলে, হারিয়ে যেতে হয় মহাশূন্যের অতল গহ্বরে।
তেমনি, সময়ের সাথে মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তন এসেছে মানুষের বিনোদনে।
একসময় মানুষ ফাঁকা মাঠে গানের আসরে বসে গান শুনত, যাত্রা দেখত। তারপর, রঙ্গমঞ্চে নাটক দেখত, গল্প-উপন্যাসের বই পড়েও মানুষ কমবেশি বিনোদন নেয়ার চেষ্টা করত। এরপর মার্কনির রেডিও এলো। সিনেমার আবিষ্কার করে লুই লুমিয়ের ভ্রতৃদ্বয় ১৮৯৫ সালে। তখন থেকে মানুষ কমবেশি সিনেমা হলে গিয়ে বিনোদন নিতে থাকে। পৃথিবীর আনাচে-কানাচে অসংখ্য সিনেমা হল গড়ে উঠতে থাকে। এরপর আসল ভিসিআর। ভিসিআর ভাড়া করে সিনেমা দেখা জনপ্রিয় হয়ে উঠল শহরে, গ্রামগঞ্জে, হাটে-ঘাটে-মাঠে। এসময় থেকে মূলত বিনোদন মানুষের নিকট সহজপ্রাপ্য হতে শুরু করে। ধীরেধীরে সিডি-টিভির আবিষ্কার বিনোদনে এক নতুনমাত্রা যোগ হয়। বিনোদন হয়ে ওঠে মানুষের মৌলিক অধিকার।
আমরাও কত টিভি-সিডি ভাড়া করে সিনেমা দেখেছি তার কোন হদিস নেই।
এতকিছু হওয়ার পরও মানুষ হলে গিয়ে সিনেমা দেখত। যখন ডিশ লাইনের আবির্ভাব ঘটে তখন থেকে এ ধারায় ভাটা শুরু হয়। আর মোবাইল ফোন আসার পর আরো ভাটা পড়ে। স্মার্টফোন, PC আসার পর থেকে মানুষ একেবারে হলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে বললে অত্যুক্তি হবে না। বিনোদন এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। একসময় পৃথিবীর আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা হলগুলো এখন বিলিন হতে হতে শেষের পথে।
এগুলো হয়ে যে খারাপ হয়েছে তা নয়। বরং এগুলো সময়ের তাগিদেই হয়েছে। সময়ের পরিবর্তনেই সব কিছুতে পরিবর্তন।
আসল কথা আমাদেরকে নতুন করে চিন্তা ভাবনা করতে হবে।
অনেককে হা-হুতাশ করতে দেখেছি। আরে ভাই! হা-হুতাশ করে লাভ নাই। নিজেকে শানিত করতে হবে, নিজের চিন্তাকে শানিত করতে হবে।
আমার থিওরি অনুযায়ী, প্রত্যেকটা জিনিসের দুটো দিক আছে। আমাদের কাজ হলো, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে ভালো-মন্দ দুটো দিকই খুজে বাহির করে, ভালোটা গ্রহন, খারাপটা বর্জন করা।
সিনেমার উন্নয়ন যদি করতেই হয় তাহলে তার জন্য কিছু কাজ করতে হবে। যেগুলো সিনেমাকে টিকিয়ে রাখবে। প্রথমে, সিনেমা হল নিয়ে ভাবতে হবে নতুন আঙ্গিকে। দ্বিতীয়ত, ভালো কিছু পরিচালক তৈরি করতে হবে। তার জন্য দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেমার উপর ডিপার্টমেন্ট খুলতে হবে। পরিচালক ভালো হলে সিনেমা ভালো হতে বাধ্য। তৃতীয়ত, সিনেমার প্রচার-প্রসারে দেশের সকল ধরনের মিডিয়াকেই সাহায্য করতে হবে। চতুর্থত, সিনেমা হচ্ছে প্রযুক্তি নির্ভর শিল্প। এটার প্রযুক্তিগত উন্নয়নে সরকারকেই সর্বাগ্রে সাহায্য করতে হবে। পঞ্চমত, বানিজ্যিক সিনেমায় সঠিক ও সুষ্ঠ বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
তেমনি, সময়ের সাথে মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তন এসেছে মানুষের বিনোদনে।
একসময় মানুষ ফাঁকা মাঠে গানের আসরে বসে গান শুনত, যাত্রা দেখত। তারপর, রঙ্গমঞ্চে নাটক দেখত, গল্প-উপন্যাসের বই পড়েও মানুষ কমবেশি বিনোদন নেয়ার চেষ্টা করত। এরপর মার্কনির রেডিও এলো। সিনেমার আবিষ্কার করে লুই লুমিয়ের ভ্রতৃদ্বয় ১৮৯৫ সালে। তখন থেকে মানুষ কমবেশি সিনেমা হলে গিয়ে বিনোদন নিতে থাকে। পৃথিবীর আনাচে-কানাচে অসংখ্য সিনেমা হল গড়ে উঠতে থাকে। এরপর আসল ভিসিআর। ভিসিআর ভাড়া করে সিনেমা দেখা জনপ্রিয় হয়ে উঠল শহরে, গ্রামগঞ্জে, হাটে-ঘাটে-মাঠে। এসময় থেকে মূলত বিনোদন মানুষের নিকট সহজপ্রাপ্য হতে শুরু করে। ধীরেধীরে সিডি-টিভির আবিষ্কার বিনোদনে এক নতুনমাত্রা যোগ হয়। বিনোদন হয়ে ওঠে মানুষের মৌলিক অধিকার।
আমরাও কত টিভি-সিডি ভাড়া করে সিনেমা দেখেছি তার কোন হদিস নেই।
এতকিছু হওয়ার পরও মানুষ হলে গিয়ে সিনেমা দেখত। যখন ডিশ লাইনের আবির্ভাব ঘটে তখন থেকে এ ধারায় ভাটা শুরু হয়। আর মোবাইল ফোন আসার পর আরো ভাটা পড়ে। স্মার্টফোন, PC আসার পর থেকে মানুষ একেবারে হলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে বললে অত্যুক্তি হবে না। বিনোদন এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। একসময় পৃথিবীর আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা হলগুলো এখন বিলিন হতে হতে শেষের পথে।
এগুলো হয়ে যে খারাপ হয়েছে তা নয়। বরং এগুলো সময়ের তাগিদেই হয়েছে। সময়ের পরিবর্তনেই সব কিছুতে পরিবর্তন।
আসল কথা আমাদেরকে নতুন করে চিন্তা ভাবনা করতে হবে।
অনেককে হা-হুতাশ করতে দেখেছি। আরে ভাই! হা-হুতাশ করে লাভ নাই। নিজেকে শানিত করতে হবে, নিজের চিন্তাকে শানিত করতে হবে।
আমার থিওরি অনুযায়ী, প্রত্যেকটা জিনিসের দুটো দিক আছে। আমাদের কাজ হলো, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে ভালো-মন্দ দুটো দিকই খুজে বাহির করে, ভালোটা গ্রহন, খারাপটা বর্জন করা।
সিনেমার উন্নয়ন যদি করতেই হয় তাহলে তার জন্য কিছু কাজ করতে হবে। যেগুলো সিনেমাকে টিকিয়ে রাখবে। প্রথমে, সিনেমা হল নিয়ে ভাবতে হবে নতুন আঙ্গিকে। দ্বিতীয়ত, ভালো কিছু পরিচালক তৈরি করতে হবে। তার জন্য দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেমার উপর ডিপার্টমেন্ট খুলতে হবে। পরিচালক ভালো হলে সিনেমা ভালো হতে বাধ্য। তৃতীয়ত, সিনেমার প্রচার-প্রসারে দেশের সকল ধরনের মিডিয়াকেই সাহায্য করতে হবে। চতুর্থত, সিনেমা হচ্ছে প্রযুক্তি নির্ভর শিল্প। এটার প্রযুক্তিগত উন্নয়নে সরকারকেই সর্বাগ্রে সাহায্য করতে হবে। পঞ্চমত, বানিজ্যিক সিনেমায় সঠিক ও সুষ্ঠ বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।