একটা সময় ছিল যখন মানুষ শুধু জীবিকা নিয়ে ভাবত। জীবিকার তাগিদে যা প্রয়োজন তাই সে করত। এই প্রয়োজনীয়তাই মানুষকে আবিষ্কারের দিকে ঠেলে দেয়। আস্তে আস্তে মানুষ নানান হাতিয়ার গড়তে শুরু করে।
একটা একটা করে জ্ঞানের শাখা-প্রশাখা গজাতে থাকে। একটা সময় এসে মানুষ হাতিয়ার আবিষ্কারের নেশায় মেতে ওঠে। যার ফসল আজকের এই হাতের ক্ষুদ্র যন্ত্র মোবাইল।
পৃথিবীতে যেসব জিনিস আবিষ্কার হয়েছে তার সবই প্রয়োজন বোধেই আবিষ্কার হয়েছে। একই কারণে মানুষ ঐ যন্ত্রের ব্যবহার শিখে নিয়েছে। প্রয়োজন মিটে গেলে যন্ত্রের যায়গা হত নির্দিষ্ট স্থান বা পাত্রে।
সেসময়ে মাত্রা অতিক্রম করার সুযোগ হত না। কেননা, নির্দিষ্ট প্রয়োজনে নির্দিষ্ট যন্ত্রের আবিষ্কার হত।
আর এখন সেটার একিভূতকরণ ঘটেছে। একারণে যন্ত্র ব্যবহারের ভারসাম্য বজায় থাকছে না। হাতের মুঠোয় সব কিছু পাওয়া যায় এখন।
যেকারণে বৈষম্যের মাত্রাটাও প্রকট আকার ধারণ করেছে। আসলে, প্রত্যেকটা জিনিসই মানুষের কল্যানে আবিষ্কৃত হয়। সেটার ব্যবহার না জানা, অতি-ব্যবহার মানুষকে ক্ষতির দিকে ঠেলে দেয়।
আজকের সভ্যতার নিকটতম আবিষ্কার হল স্মার্টফোন। এটি একটি একিভূত যন্ত্র। একের ভেতর অনেক। এটার নানান ব্যবহারিক দিক রয়েছে। আমরা বেশিরভাগই সেটা জানিনা। এখনো পুরাতন চিন্তা-ভাবনা নিয়ে পড়ে আছি। একটু যদি চেষ্টা করি, ব্যবহারিক সচেতন হই তাহলে এই খোলস থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পাারব আমরা।
দ্বিমত থাকতেই পারে—অবশ্যই দ্বিমতকে শ্রদ্ধা করি। আমি শুধু—আমার মতটুকুই প্রকাশ করি মাত্র। দ্বিমত হলে—সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিন।