সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রুমের আদবকেত

উচ্চশিক্ষা গ্রহন করার জন্য আমরা বেশিরভাগই বাড়ির বাইরে থাকি। এজন্য হল-হোস্টেলে থাকতে হয়। বাড়ির জীবন-যাত্রার সম্পূর্ন উল্টো এ জীবন। এখানে এক রুমে ২, ৩ বা আরো বেশি মানুষ এক সাথে থাকতে হয়।
এক সাথে অনেকের বসবাস তাইতো নানান ক্যাঁচাল লেগেই থাকে। এ থেকে বাঁচতে নিচের আদবকেতাগুলো মেনে চলতে হবেঃ
০১. বাইরে এলোমেলো হলেও রুমের ভেতরটা যাতে ঠান্ডা থাকে এটা রুমের বাসিন্দাদের খেয়াল রাখতে হবে।
০২. ক. অযথা কথা বলা বন্ধ করতে হবে।
খ. ডিজিটাল যুগে অনেকে মোবাইলে প্রেম করেন, এটা সমস্যা না, সমস্যা হল প্রেমিক-প্রেমিকার সাথে মোবাইলে রুমে কথা বলা। এটা থেকে বিরত থাকতে হবে। এমনকি, বাড়িতে দীর্ঘ সময় কথা বলার প্রয়োজন হলেও রুমের বাইরে বলতে হবে।
০৩. রুমে যাতে ভালো ঘুম ও পড়ার পরিবেশ বজায় থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
০৪. নোজপোকিং থেকে বিরত থাকতে হবে। সাধারনত দেখা যায়, বড় ভাইরা ছোটদের উপর নোজপোকিং করে। এটা চরম খারাপ ও বাজে অভ্যাস। এই বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।
০৫. রুমের পরিবেশ ভালো রাখার স্বার্থে রুমে জোরে শব্দ করা, উচ্চ শব্দে গান শোনা বা নাটক, সিনেমা দেখা থেকে বিরত থাকতে হবে।
০৬. জোরে জোরে শব্দ করে পড়ার অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করতে হবে। প্রকৃতিগতকারণে এটা অন্যদের সমস্যা সৃষ্টি করে।
০৭. রুম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সকলের সক্রিয় থাকতে হবে।
০৮. যদি রুমের কোন বাসিন্দা কোন সমস্যার সৃষ্টি করে (বড় হোক, ছোট হোক) তাহলে তাকে নিঃসংকোচে নিষেধ করতে হবে। প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। সমস্যা বাড়বে, বই কমবে না।
এগুলোর চর্চা পরবর্তী সময়ে একজন ব্যক্তির উন্নত ব্যক্তিত্ব গঠনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
www.rahimmars.wordpress.com