এই জীবনে কতশত বাস্তবের মুখোমুখি হতে হয়। তার মধ্যে কতগুলো নির্দিষ্ট বাস্তবতা আমাদের নাড়া দিয়ে যায়। আবার কিছু অযৌক্তিক বাস্তবতা আছে যেগুলো আপনার সামনে অহরহ ঘটতে থাকে।
বিস্ময় প্রকাশ করা ছাড়া কিছুই করার থাকে না।
আমি এমনি একটি বাস্তবের কথা বলছি এখন, আপনি
দেখবেন আপনার সামনে দাড়িয়ে থাকা মানুষটি নিজের দোষ-ত্রুটিকে কখনো স্বীকার করতে চাইবে না।
হাজারও প্রমান খাঁড়া করলেও কাজ হবে না। একটা সময় সে আপনাকে প্রতি-আক্রমন করতে উদ্ব্দত হবে।
শিক্ষিত সমাজে এ বিষয়টা আরো প্রকট।
সবাই ভাবে আমিই সেরা।
ঠিক আছে, সবাই সবার অবস্থান থেকে সেরা এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু, নিজের যৌক্তিকভুলগুলো মেনে সেগুলো শুধরে নিলে নিজের শ্রেষ্ঠত্বকে আরো প্রমাণ করা যায়।
আমাদের সমাজে একটি প্রথা প্রচলিত আছে যে, ছোটরা বড়দের ভুল ধরা তো দূরে থাক, বড়দের সামনে কথা বলাই বেয়াদবি।
কিন্তু, আমার জানা মতে ছোটরা এই সমাজের কনিষ্ঠতম সদস্য। সে হিসেবে তাদেরও মতামত থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
ঠিক আছে ভুল হতেই পারে। তারাতো ভুলের মধ্য দিয়েই শিখবে। তাদের ভুল শুধরে সামনে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব সমাজের বড়দের।
আর মানুষ মাত্রই তো ভুলের আধার। সেটা আপনি আমি সবাই।
আর তাদের মত প্রকাশ করতে না দিলেই যে তারা ভদ্র হবে এটা ভাবার কোন যৌক্তিক ভিত্তি নেই।
বরং তাদের মানসিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের মানসিক বিকাশের পথে এই বাধা প্রদান একটি মারাত্মক বড় ভুল।
এটি একটি ব্যধি বললেও ভুল হবে বলে আমার মনে হয় না। কারণ, এটি সমাজের সর্বত্রই দেখা যায়। এবং এটি ছোটদের বিকাশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
কাজেই, আসুন এই সামাজিক ব্যধিকে সমাজ থেকে বিতাড়িত করে একটি সুস্থ সমাজ কাঠামো গড়ে তুলি। ছোটদের সুস্থ মানসিকতা বিকাশে সহায়তা করি।
এবং নিজের যৌক্তিক ভুলগুলো মেনে তা শুধরে নিয়ে নিজের শ্রেষ্ঠত্বকে আরো প্রমান করি।