টিকিট একটি বড় ফ্যাক্টর-সিনেমায়। স্থান-কাল-পাত্রভেদে সবকিছুতে পরিবর্তন দেখা যায়। একারনে সব যায়গার জন্য একক টিকিট-মূল্য নির্ধারণ করাটা কতটা যুক্তিসঙ্গত ভেবে দেখার বিষয়। আবার তার-উপর নানান রকমের দর্শক।
টিকিট সিস্টেমে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে অর্থাৎ কম্পিউটার টিকিটিং একটি নতুন মাত্রা দিতে পারে।
এর মাধ্যমে একটি অলিখিত জরিপও হবে। তবে এক্ষেত্রে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা চালু করতে হবে। তাহলে আলোর মুখ দেখবে বিষয়টা।
একটি হলে নানান শ্রেনী-পেশার লোক থাকে। এজন্য শ্রেনীওয়াইজ টিকিটিং এর ব্যবস্থা ও আসন বিন্যাসের ব্যবস্থা রাখাটা বাঞ্চনীয়।
চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মানুষকে উন্নত এবং ফ্যাশনেবল করে তোলা যাবে। শ্রেনীওয়াইজ টিকিটিং চালু করে পোষাক-পরিচ্ছেদ অনুযায়ী আসন বিন্যাসের ব্যবস্থা করতে হবে।
তাহলে হবে।
আর এটা বাস্তবায়নের জন্য সর্বপ্রথম হলের পরিবেশ, হলের ব্যবস্থাপনা সুন্দর করতে হবে। হলের অভ্যন্তরীন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে সব সময়।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নারী-পুরুষের আলাদা আসন বিন্যাসের বিষয়টিও চিন্তাভাবনার ব্যাপার।
সর্বপরি, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারই পারে এই শিল্প-মাধ্যমকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে।