আমার অভিজ্ঞতার আলোকে কথাগুলো বলছি।
যখন কোন মানুষের পাশে যায় তখন সে তার জ্ঞানভান্ডার খুলে দেয়।
এক সময় জ্ঞানভান্ডার খালি হয়ে ফাও বকা শুরু করে।
আবার যখন কোন বিষয়ে কারও কাছে জানতে যায় ( নিজের অজানা বিষয়)।
আত্মসম্মান রক্ষা করতে গিয়ে সে বিষয় থেকে অন্য প্রসঙ্গে গিয়ে এমন অবস্থার সৃষ্টি করে যে খেই হারায়।
একটা প্রশ্ন করলাম।
উত্তর দিল ঠিকই।
কিন্তু, বাড়িয়ে।
রং-ঢং মাখিয়ে।
এমন অবস্থা হয় যে, বিরক্তি এসে গেল।
কি দরকার?
আগ বাড়িয়ে সিদুর নেয়ার।
আবার, কথা বলছি এক প্রসঙ্গে।
হঠাৎ করে প্রসঙ্গে বাড়ি মেরে অন্য বিষয়ে নিয়ে গেল।
তখন’ এত খারাপ লাগে।
কেনইবা খারাপ লাগবে না।
যে বিষয়টা কথার মাঝে আসার নয়,
সেটা যদি কেউ নিয়ে আসে খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক!
আবার, কিছু সময় দেখা যায়—
জেতার প্রবনতা চাক্ষুষ-বাস্তব প্রমানও অবহেলার স্বীকার হয়।
কথা বলতে বলতে যখন যুক্তিতে পেরে উঠে না, তখন আপনার দূৃর্বল পয়েন্টে আঘাত করে বিষয়ের গুরুত্বটায় নষ্ট করে দেয়।
দেখছে যে, বিষয়টা বাস্তব।
তারপরও গোড়ামী করল।
কি আর করার?
নির্বাক!
এ ধরনের সংস্কৃতির চর্চা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।
তানাহলে এতে করে নিজের ব্যক্তিত্বে তো খারাপ ছাপ পড়েই।
পাশাপাশি অন্যরাও এর দ্বারা ক্ষতির স্বীকার হয় ( সেটা নিজের অজান্তেও ঘটতে পারে)।