০১. কুকুরের চেয়ে কুকুরের লেজ বেশিই বেয়াড়া। কুকুর পিটালে কথা শোনে। কিন্তু, কুকুরের লেজে চুঙ্গা পরালেও সোজা হয় না।
০২. মানুষ এমনি এক প্রাণী বুঝালে বুঝতে চায় না। ঝাঁটা-লাথি না মারলে কাজ হয় না।।
০৩. সম্পর্ক জিনিসটা এরকমই। ধীরে ধীরে মলিন হয়ে যায়।
০৪. মানুষ সামাজিক জীব। একারণে, একে-অন্যের এত সমালোচনা।
০৫. ভুল মানুষের শেখার পথ তৈরি করে দেয়।
০৬. জীবনটা চলছে এক উদ্দেশ্যহীন গন্তব্যের দিকে। জানে না সীমানা তার। কোন একদিন যদি মনে পড়ে তার, সে কি আর ফেরা যায়! যাবে না! তবুও এই যাত্রা! হয়তোবা, একদিন থেমে যাবে।
০৭. আমরা সচরাচার যে ভুলটা সবসময় করি। তাহল, অন্যকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে সময় পার করে দেই। এটা করতে করতে নিজেকে নিয়ে ভাববার সময়ই পাইনা। আজব বিষয়! তাই না? নিজের সময় অন্যের জন্য অযথা বাকওয়াচ করে অপচয় করা।
০৮. টাকা ছাড়া সবই ফাঁকা। টাকা ছাড়া কোনো নীতি বা তত্ত্বই টেকে না। অর্থই অনর্থের মূল। অর্থের পিছে ছুটতে ছুটতে একসময় মানুষ নিজের অস্তিত্বকে ভূলে যায়।
০৯. আসলে, আমরা নিজের অজান্তে অনেক ভুল করি। যা আমরা দেখতে পায় না। এ ভুল গুলো সাধারনত অদৃশ্যমান। আর এ ভুলগুলো অনেক ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
এ ভুলগুলো অদৃশ্যমান হলেও এ থেকে পরিত্রান পাওয়া যায়। তার জন্য আমাদের দরকার “গনসচেতনতা”। গনসচেতনতার বিকল্প কিছুই নেই।
১০. প্রত্যাশা এবং প্রাপ্তির মধ্যে বিস্তর পার্থক্যের কারনে মানুষ হতাশার কাছে আত্মসমার্পন করে।
বর্তমানে মানুষের প্রত্যাশা আকাশ সমান-প্রাপ্তিটা সামান্যই।
১১. মানুষ হচ্ছে পৃথিবীর সবচাইতে বড় বিস্ময়কর কম্পিউটার। একজন মানুষের মধ্যে যে সফটওয়্যার ইনস্টল করা আছে সে অটোমেটিক সেই কাজ করতেই থাকে। যেমন, একজন ছাত্র সে পড়ালেখা করে, কর্মজীবী মানুষ কাজ করে, শিক্ষক শিক্ষা দেয় প্রভৃতি।
১২. মানুষের জীবনে সবচাইতে বেশি প্রভাব ২টা জিনিসের। যথাঃ ১.পরিবার এবং ২.পরিবেশ। পরিবারঃ পরিবারে মানুষের বেড়ে উঠা, চরিত্র গঠন, ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে। এছাড়াও জীবন গঠনের সবচাইতে বড় সাপোর্টটা পরিবারই দিয়ে থাকে। পরিবেশঃ পরিবেশের প্রভাবে মানুষ কালচার হতে শেখে। পরিবেশই নির্ধারণ করে দেয় মানুষের ব্যক্তিত্ব। আচার-আচারণ নির্ধারিত হয় পরিবেশ দ্বারা।
১৩. জীবনে একজন ভালো বন্ধুর দেখা পাওয়াটা সত্যিই সৌভাগ্যের ব্যাপার!
১৪. পৃথিবীর সবচাইতে বড় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ বোকামী হল, অন্যের অনিচ্ছা সত্ত্বেও, তার ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক-গলানো।
১৫. সততা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে সম্পর্কের লালন করতে হয়। বিশ্বাস ভঙ্গ হলে সম্পর্কের ভিত্তি নষ্ট হয়।
১৬. আপনি যদি জানেন আপনি কি বানাতে চান, তাহলে ভালো কিছু করবেন বলে আশা করা যায়। ফাঁকিবাজি বিষয়টা থাকলে ভালো কিছু করা সম্ভব নয়।
১৭. সাদা কাপড়ে দাগ লাগলে তা দৃষ্টিকটু দেখায়। দাগ থেকে সবসময় দারুন কিছু হয় না। বেশিরভাগ সময় খারাপ কিছুই হয়। যারা বেশি কথা বলে তাদের ভুল হয় বেশি।
১৮. ২০ বছরের আগে অথবা ৩৫ বছরের পরে সন্তান ধারণজনিত কারণে মা ও শিশু উভয়ের স্বাস্থ্য ঝুকি বেড়ে যায়।
১৯. শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শিশুদের বিকাশের জন্য মারাত্মক/ ক্ষতিকর।
২০. আমি মানুষ। এটাই আমার প্রথম পরিচয়। সভ্যতার উৎকর্ষতায় শিক্ষা এবং জ্ঞানই একমাত্র বাহন। এজন্য শিক্ষা এবং জ্ঞানে বিশ্বাস করি। শিক্ষা এবং জ্ঞানের উৎপত্তি চিন্তা থেকে। তাই চিন্তায় সমস্যার একমাত্র সমাধান। সমস্যা =চিন্তা = ফলাফল/পরিনতি।
২১. একজন শিক্ষক অনুপ্রেরণার যন্ত্র না হয়ে যদি ভয়-ভীতির কারণ হয়। তাহলে পরিস্থিতি কেমন হবে? একবারও ভেবে দেখেছেন?
২২. চাতক পাখি মুখে একফোটা পানি নিয়ে অনেক উপরে উঠতে পারে। কিন্তু, উটপাখির বিশাল ডানা থাকতেও সে উড়তে পারে না। আবার একটা ব্যতিক্রমও আছে চিল শকুন যতই উপরে উঠুক নজর তার নিচেই থাকবে।
২৩. যুগের বিবর্তনে সব কিছুতে পরিবর্তন।
২৪. নীতি কথা বলে যদি নিজেরই নীতিগত অবস্থান ভঙ্গুর হয় তাহলে সেটা ভন্ডামী ছাড়া আর কিছু নয়। আসলে সবই স্বার্থবাদী চিন্তা -ভাবনা।
২৫. পরিবর্তন সবচাইতে বড় বাস্তবতা।