সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সহজপ্রাপ্য (নারী ও শিশু নির্যাতন)


পৃথিবীতে সবচাইতে সহজপ্রাপ্য বিষয় হল দূর্বলের উপর অত্যাচার করা।জানা-অজানা কতভাবে নির্যাতনের শিকার। প্রত্যেক সমাজে এই বিষয়টি প্রকট। নারী এবং শিশুদের উপর যেভাবে গনহারে অত্যাচার শুরু হয়েছে তাতে করে বোঝা যাচ্ছে যে সমাজে মূল্যবোধের কি অবস্থা।
একদিন আমি মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা করছিলাম। লোকটা একটু প্রতিক্রিয়াশীল এবং কনজারভেটিভ টাইপের। যাইহোক, দু’একটা কথা বলার পর লোকটা বলে উঠল।
শোনো, এই সব নৈতিকতা বা মূল্যবোধ বলে কিছু নেই। এসব একধরনের বানোয়াট কথা।
পুরো টাস্কি খেয়ে গেলাম!
কয় কি?
লোকটাকে দেখে বুঝেছিলাম প্রতিক্রিয়াশীল-কনজারভেটিভ টাইপের লোকেরা ভালো করে চিন্তা করতে পারে না। তাদের চোখে সবসময় খারাপ জিনিসটায় ভাসতে থাকে। এটা করো না, ওটা করো না করতে করতে অবস্থার চরমে নিয়ে যায়।
যাইহোক, আমার আলোচনার বিষয় ছিল নারী ও শিশুর ওপর নির্যাতন। এটার ব্যাপারে কিছু লোক বলে এর জন্য সরকারের ব্যাপক পদক্ষেপ নিতে। আবার কিছু লোক বলে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে। আবার অনেকে এর জন্য সরকারকে দোষারোপ করে। কিন্তু, আমার কাছে বিষয়টা সামাজিক বলে মনে হয়েছে। এগুলোকে সামাজিকভাবে নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা করা উচিত বলে আমি মনে করি। তবে অপরাধীকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। তানাহলে নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে যাবে বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী। এর জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারকে সর্বাত্বক সহযোগিতা করতে হবে। এবং ভবিষ্যতে যাতে এটাকে নিয়ন্ত্রনে রাখা যায় তার জন্য সামাজিক মূল্যবোধ বিকাশের পথকে সুগম করতে হবে। গনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। গনসচেতনতার বিকল্প নেই।