মানুষ মানুষকে দু'টি কারণে ভালো বা খারাপ বলে। এক. উদ্দেশ্য-প্রনোদিত, দুই. সবাই যাকে ভালো বা খারাপ বলে।
আমরা চাইলেই সবকিছু ভালো হয়ে যাবে না বা চাইলেই খারাপকে নিশ্চিহ্ণ করতে পারবো না। এটার এখতিয়ার আমাদের নেই। এটার এখতিয়ার একমাত্র মহান আল্লাহর। আমরা সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রন করতে পারি। কম বা বেশি। এর বেশি কিছু না। প্রত্যেকটা ঘটনার কিছু কারণ থাকে। এ জন্য কারণগুলো অনুধাবন করে সমস্যার সমাধান করতে হয়। তাহলে, সে সমাধান ফলপ্রসূ হয়।
অনেক মানুষকে দেখেছি, কিছু শোনার বা বোঝার আগেই কথা বলা শুরু করে দেয়। বিরক্তিকর ঝিঁঝিঁ পোকার মত! আসলে তারা বুঝতে চাই না বা বোঝার চেষ্টা করে না যে, তারা তাদের কথার মাধ্যমে মানুষের বিরক্তি উৎপাদন করে।
আবার অনেক মানুষ আছে যারা গুরুত্বপূর্ন কথাকেও গুরুত্ব দেয় না। আলোচনার সময় অমনোযোগী হয়ে অন্য বিষয়ে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখে। এরা সমাজের বোঝা-স্বরুপ। এদের দিয়ে সমাজের ক্ষুদ্রতর কোন কল্যান তো হয়ই না। বরঞ্চ, অকল্যানের সম্ভাবনাই বেশি থাকে। এদেরকে কোনভাবে ভালো বা কল্যানের পথে নিয়ে আসা দুষ্কর। যাইহোক, ভালোত্ব বা মন্দত্ব বিষয়টা আমার কাছে আপেক্ষিক। কেননা, একদেশের গালি হয় আরেক দেশের বুলি। তবে হ্যাঁ, নিজের দেশের মূল্যবোধ চর্চা না করলে সেটা নিজের দেশেই নিজেই গালি খাওয়া।