বর্তমান সমাজে দেখা যায়, তিন খান কিতাব পড়ে আলেম বনে যেতে। দু’কলম লিখতে না লিখতে লেখক হতে। দু’চার ছত্র লিখেই কবি হতে। তিনদিন তাবলীগ করে ফতোয়া দিতে।বলা নাই কওয়া নাই হুট করে মাতুব্বর। জানে না কিছুই বড় বড় ডিগ্রির মালিক।তিন টাকা জমায়েই ধনীর মত আচার-আচারন (টাকা থাকলেই কি ধনী হওয়া যায়? যায় না। ধনে-মানে মানুষ ধনী হয়)।গায়ে মানে না আপনি মোড়লও দেখা যায়।খালি কলসি বেশি বাজতেও দেখা যায়।নীতি মানে না নীতির ধারক-বাহক হতে।সঠিকটা বললেও গোড়ামী করতে।মাকাল ফলের ন্যায় ধর্ম চর্চা করতে।কি বলে তা নিজেরই খেয়াল নাই।কেউ না ভালোবাসলে/না মানলেও ‘আমি নেতা’ হতে।মানুষের যখন নৈতিক পদস্খলন ঘটে তখন এরকম কার্যকলাপ ঘটে। মানুষের নৈতিক পদস্খলন ঘটলে ভাল-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা লোপ পায়।এ জন্য নৈতিকতার চর্চা খুবই দরকার।
দ্বিমত থাকতেই পারে—অবশ্যই দ্বিমতকে শ্রদ্ধা করি। আমি শুধু—আমার মতটুকুই প্রকাশ করি মাত্র। দ্বিমত হলে—সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিন।