আসলে আমি কোন পেশাদার লেখক নই। তবুও লেখালেখির প্রতি সব সময়ই একটা প্যাশন কাজ করে। তাই, একটু লেখালেখির চেষ্টা করছি। যদিও কি লিখব তা নির্দিষ্ট নয়। তারপরও চেষ্টা করতে তো মানা নেই।
যাহোক, ইতিবাচক চিন্তার শক্তি নিয়ে কিছু লিখি। ধরুন, মোবাইল ফোন বা স্মার্টফোন। হিসাবটা মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। অনেকে বলে মোবাইল আসার পর দেশের যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এটা হল মুদ্রার ওপিঠ। এটা নেতিবাচক দিক। অপর পিঠে লেখা আছে এর ইতিবাচক দিক। ইতিবাচক দিকটা যুব সমাজকে ধরিয়ে দিতে হবে।
মোবাইলের কল্যানে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন যুগের শুরু হয়েছে। আগে একজন ব্যক্তি মারা গেলে সংবাদ দিতে অনেক সময় লাগতো (হেটে বা সাইকেলে পরে মোটরগাড়ি)। এখন মোবাইলের কল্যানে মূহুর্তে জানানো সম্ভব হচ্ছে। বাজার করতে যাওয়ার সময় কোন বিষয় ভুলে গেলে, মূহুর্তে সেটা মনে করিয়ে দিতে এটার জুড়ি নেই।
এবার আসি স্মার্টফোনের কথায়। অল্প খরচে প্রযুক্তির সহজ ছোয়া। যারা স্মার্টফোনের পূর্ণ ব্যবহার জানে তারা কখনই এটার ব্যাপারে যু্ক্তি-তর্কে যাবে না। এটার খারাপ দিকের ব্যাপারে তারা কখনই মাথা ঘামায় না। এখন মোটামুটিভাবে এটার দ্বারা জগতের বেশিরভাগ কাজ করা যাচ্ছে। যোগাযোগ, ইন্টারনেট, পড়ালেখা, বেচাকেনা ইত্যাদি।
এবার ইন্টারনেট সম্পর্কে কিছু লিখি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সবচাইতে বেশি উপকারিতা পাচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্র। যেকোন তথ্য-উপাত্ত সহজে পাওয়া যায় ইন্টারনেটের ভূবনে। বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ব্লগিং সাইট, ব্লগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইসবুক, টুইটার, পিন্টারেস্ট, টাম্বলার, গুগল প্লাস, ইনস্টাগ্রাম প্রভৃতি), উন্মুক্ত জ্ঞান চর্চার সাইটগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যায় খুব সহজে। google এ লিখে সার্চ দিলেই সব এসে হাজির হবে আপনার সামনে। সার্চ দিয়ে দেখুন কম-বেশি পাবেন। এখন আমাকে কোনো বিষয় জানার জন্য কারো কাছে গিয়ে ধরনা দিতে হয় না। google ই এখন আমার বেস্ট মাস্টার।
স্মার্টফোনে বই পড়া যায়। pdf ফাইলের এমনকি অন্যান্য ফাইলের বইও পড়া যায়। শুধু জানতে হবে কিভাবে। পড়ার, জানার, উপলব্ধি করার বিকল্প কিছু নেই।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের পত্র-পত্রিকাগুলো খুব সহজেই পড়া যায় স্মার্টফোনে। জানা যায়, পরিচিত হওয়া যায় বিভিন্ন বিষয়ের সাথে।
দেশের বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর নিকট, স্মার্টফোন মানেই গেম খেলা, ফেইসবুক, টুইটার ব্যবহার। এটার বৃহৎ ব্যবহার তারা জানে না। অনেকের কাছে, ইন্টারনেট মানে ফেসবুক!
আসুন স্মার্টফোন হোক বা মোবাইল ফোন এটার সঠিক ব্যবহার জানি এবং পূর্ণ অ্যাভ্যানটেজ গ্রহন করি।
দ্বিমত থাকতেই পারে—অবশ্যই দ্বিমতকে শ্রদ্ধা করি। আমি শুধু—আমার মতটুকুই প্রকাশ করি মাত্র। দ্বিমত হলে—সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিন।