সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

উপলব্ধ জ্ঞান

এক. মানুষের জীবনে স্বাধীনতার মূল্য অনেক। কিন্তু, বাস্তবতা হল, আপনার আশেপাশের মানুষগুলো আপনাকে নানান দিক দিয়ে আপনাকে পরাধীন করে তুলবে/ চেষ্টা করবে। কিছু মানুষ আছে যারা খুজে খুজে আপনার দুর্বলতার সুযোগ নেবে। আর আপনি যদি সহজ-সরল টাইপের হন, তাহলে তো কোন কথায় নেই। ভাইরে! বুঝেশুনে "না" বলা শিখতে হবে।
এজন্য আপনি যেখানে আছেন, সেখানে যদি আপনি অস্বস্তিবোধ করেন বা সমস্যার সম্মুখিন হন তাহলে স্থান পরিবর্তন করুন এখনি। কারন, সম্পর্ক জিনিসটা মোবাইল ফোনের ব্যালেন্স না, ফুরিয়ে গেলে লোড দিলাম। তানাহলে,  শারীরিক ও মানসিকভাবে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে সময় লাগবে না।
কথাগুলো একান্ত অভিজ্ঞতা থেকেই বলেছি।
দুই. ভুল সিদ্ধান্ত নিলে জীবনে কি ঘটে। কিভাবে একটা ভুল দীর্ঘদিন নিজের ভেতরে লালন করেছি। একটা ভুল কিভাবে শত ভুলের জন্ম দিয়েছে। আসলে মানুষ যখন ভুল করে তখন সে বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে চলে যায়। দুটোর ভেতরে সে কোন পার্থক্য বুঝতে পারে না। বুঝার পর হাহুতাশ করে কাঁটাতে হয় আরো অনেক সময় ধরে।
আপনি অন্যকে যখন কোন পীড়ার মধ্যে রাখবেন, তখন নিজের দিক থেকে বিষয়টা একবার ভেবে দেখবেন।
আপনার আচার-আচারন যে অন্যের বিরক্তি উৎপাদন করে তা কি একবারও খেয়াল করেছেন? হয়তোবা ভদ্রতার খাতিরে কেউ কিছু বলছে না। হিসাবের খতিয়ান কিন্তু খোলা রয়েছে। সময় হলে সব বেরিয়ে যাবে। তখন মাঁকাল ফলের আসল চেহারা বের হয়ে আসবে। ইজ্জত বাচানো বেসম্ভব হয়ে দাড়াবে।
ক্ষমতা বা গায়ে জোর থাকলেই ব্যবহার করতে নেই। উল্টে কচু গাল ধরতে সময় লাগে না। এটা সত্য, চরম ক্ষমতা মানুষকে চরম দূর্নীতিগ্রস্ত করে। একারণে, নিজের নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা অন্যেরর হাতে অর্পন করতে নেই।
অন্যের কাজে যে আপনি হস্তক্ষেপ করেন, এটা কিন্তু খারাপ কাজের রাজা। তা কি একবারও ভেবে দেখেছেন?
অল্পতেই যে উপদেশের হাড়ি খুলে বসেন। তা কিন্তু, নেতিবাচক দৃষ্টভঙ্গির দৃষ্টান্ত।
কে কি করবে, এটা তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। আপনি কেন তার কর্মে হস্তক্ষেপ করবেন। সামাজিক জীব হিসেবে আমরা মানুষ একে-অন্যর পরিপূরক-সহযোগী। তাই বলে কেউ কারো প্রভু নয়। প্রভু একমাত্র আল্লাহ। তিনি সবকিছু করতে পারেন। আপনি পারেন না।
সামাজিকভাবে চলাফেরা করার জন্য যেসব বিষয় মেনে চলতে হয় (আলোচনা সাপেক্ষ)। সেগুলো বাদে একজনের ব্যক্তি জীবনে হস্তক্ষেপ করতে আপনি পারেন না। এ অধিকার কেউ আপনাকে দেয়নি এবং এটার সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কোন ভিত্তি নেই। বরং, অনেক ক্ষেত্রে এটা অপরাধ।
আপনি যদি কাউকে বোঁকা ভেবে থাকেন তাহলে ভুল করছেন। কারণ, আমরা এক মহা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছি। বোঁকা কখন বুদ্ধিমান হবে কিছুই বলার নেই। আর আপনার যেটা ভালো করার ছিল সেটা না করলে আপনার যায়গা কারো না কারো দ্বারা পূরণ হবে। এটাই বাস্তবতা!
আপনি কাউকে যদি অনিষ্ট করে থাকেন মনে রাখবেন, আপনার জন্য মহা ক্ষতি অপেক্ষা করছে। বুঝতেই পারবেন না কিভাবে হল। মনে মনে হাহুতাশ করে যেতে হবে! এই জগতে কেউ কারো ক্ষতি করতে পারে না, যার ক্ষতি সে নিজেই ডেকে আনে।