মানবকুলে একজন বেয়াদব,
তার নেই কোন শ্রীযুক্ত আদব,
সে যে আস্ত একটা গর্দভ,
তার আচরণই দেয় বলে,
প্রত্যক্ষ করি তার চলাচলে,
যখনই সে শ্রীহীন কথা বলে,
সর্বদা অভদ্রতা, অসভ্যতার ছলে,
ওরা সব কূপমূণ্ডুকের দলে,
অনেকেই আবার বলে,
এগুলো তার মা-বাবার দান,
আর তার পারিপার্শ্বিক অবস্থান,
রাখে তার কর্মে প্রভূত অবদান,
কোন দিন কাউকে করে না সম্মান,
যদিও লোকে করে অপমান,
তবুও করে যাবে হনহন-বনবন,
কথা-কাজে নেই শৃংখলা,
তার আচরণে আছে বিশৃংখলা,
জীবনটাকে করে তোলে অচলা,
দেখায় অশিষ্টতা, অভদ্রতা, ধৃষ্টতা,
আর ঔদ্ধত্য, প্রগলভতা, নির্লজতা,
তার কথায় ও সকল কাজে,
আদবকেতাহীন সুর সদা বাজে,
শিষ্টাচার বহির্ভূত পরিপূর্ণ অভদ্রতায়,
বিনয়হীন আচরণ করে অনম্রতায়,
নেই কোন মঙ্গলদায়ক চিন্তা,
অন্যের সৎকর্মেরও সে হয় হন্তা,
তার অসদাচরণ ও কদাচারের তাপে,
সতত সৎ-সুন্দরের ভিত্তিও কাঁপে,
সমাজের অকেজো ফুটো বাজরা,
সৎকর্মকে করছে অযথা ঝাঁজরা,
তার কথায় ছাপ থাকে না তথ্যের,
মস্তিষ্কে বড়ই অভাব পুষ্টি-পথ্যের,
বেয়াদবি মাপা যায় না বয়স ভেদে,
কোন বেয়াদব তৈরি হয় না অভাবে,
সে সৃষ্টি হয় তার জাতের স্বভাবে,
আমি নিশ্চিত যে মানসিক চিকিৎসা,
তাদের যৎপরোনাস্তি প্রয়োজন,
বন্ধ করতে তাদের এ নিরর্থক আচরণ।